
আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২২৪টি আসনে প্রার্থী দেয়। এর মধ্যে ৬৮টি আসনে দলটির প্রার্থীরা জয়ী হন। নির্বাচন সামনে রেখে সরকার গঠনের প্রত্যাশা নিয়ে প্রচারে ব্যাপক সাড়া মিললেও ফল ঘোষণার পর দলটির ভেতরে পর্যালোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন আসনে ফল গণনায় কারচুপিসহ অনিয়মের অভিযোগ করেছে জামায়াত।
দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ড. যোবায়ের আহমদ জানান, ৫৩টি আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থীরা ১০ হাজারের কম ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন। এসব আসনে জয় পেলে দলটির আসন সংখ্যা প্রায় ১২০টিতে পৌঁছাতে পারত বলে তিনি দাবি করেন। সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন-এ অভিযোগ জমা দেবেন বলেও জানান তিনি।
জামায়াতের এক নির্বাচনি কর্মী অভিযোগ করেন, প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর পক্ষ থেকে বিভিন্ন কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়া হয়েছে। তার দাবি অনুযায়ী, একটি আসনে শতাধিক কেন্দ্র থাকায় প্রতি কেন্দ্রে অল্পসংখ্যক জাল ভোট হলেও তা সামগ্রিক ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলেছে।
সূত্র অনুযায়ী, খুলনা-৫ আসনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার দুই হাজার ৬০৮ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। ঢাকা-১০, ঢাকা-১৭, ঢাকা-৭, পিরোজপুর-২সহ একাধিক আসনে জামায়াত ও জোটভুক্ত দলের প্রার্থীরা তিন হাজার থেকে নয় হাজার ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। কক্সবাজার-৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাত্র ৯২৯ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন বলেও জানানো হয়েছে।
এছাড়া দিনাজপুর, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, যশোর, বরগুনা, ঝালকাঠি, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন আসনেও জামায়াত ও জোটভুক্ত প্রার্থীরা অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন।
জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোট জানিয়েছে, কেন্দ্রভিত্তিক ঘোষিত ফলাফল পর্যালোচনা করে যেখানে ত্রুটি পাওয়া যাচ্ছে সেখানে কমিশনে অভিযোগ জানানো হচ্ছে। এরই মধ্যে কয়েকজন প্রার্থী সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ফল স্থগিত ও পুনর্গণনার দাবি তুলেছেন।

























