
আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ অবসানে কূটনৈতিক সমাধান অর্জনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্যর্থ হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করছে তার মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় মিত্রদেশগুলো। সামরিক শক্তি প্রয়োগ করেও সমাধান আনতে না পারায় ওয়াশিংটনের প্রতি বিশ্বাস হারাচ্ছে আঞ্চলিক অংশীদারেরা। ট্রাম্পের যুদ্ধনীতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তাহীনতার কারণে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত এবং বাহরাইন এই ঐতিহাসিক মিত্র দেশগুলো এখন ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে সোচ্চার হয়ে উঠছে।
চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পর থেকে শুরু হওয়া পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় উপসাগরীয় দেশগুলো সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মিত্রদেশগুলোর অভিযোগ, ট্রাম্প এই যুদ্ধ শুরু করলেও এর চড়া মূল্য দিতে হচ্ছে তাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক জীবনকে। উদ্ভূত সংকটে নিজেদের ভূখণ্ডে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রাখার কার্যকারিতা ও যৌক্তিকতা নিয়ে এখন খোলাখুলি প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে অনেকগুলো দেশ।
অন্যদিকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্প্রতি সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান মিলে নতুন ত্রিদেশীয় প্রতিরক্ষা জোট গঠন করায় আঞ্চলিক রাজনীতির মেরুকরণে বড় পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
যদিও হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে, তবে বাস্তবতা ভিন্ন কথা বলছে।
আন্তর্জাতিক জলসীমা ও বিশেষ করে বহুল আলোচিত হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা ফেরাতে এখন মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ট্রাম্পকে বাইপাস করে সরাসরি আলোচনা চালাচ্ছে। ওয়াশিংটনের নিরাপত্তাবলয়ের বাইরে গিয়ে নিজেদের অর্থনীতি রক্ষা ও প্রতিরক্ষা জোরদার করতে একজোট হচ্ছে মুসলিম বিশ্বের প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলো।
সূত্র: দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট, রয়টার্স, আল জাজিরা।




























