
আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এবার বাগদাদের ওপর চাপ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে ওয়াশিংটন। ইরানের সঙ্গে সব ধরনের জ্বালানি বাণিজ্য কমানোর জন্য ইরাক সরকারের ওপর কড়া হুঁশিয়ারি জারি করেছে মার্কিন প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এই পদক্ষেপের ফলে ইতোমধ্যে অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ সংকটে থাকা ইরাক চরম কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
ইরাকি বার্তা সংস্থা শাফাক নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বন্ধ এবং তেহরানের জ্বালানি খাতকে স্তব্ধ করতে ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ ঘোষণা করার পরেই ইরাককে এই আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ইরাকের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত নির্ভর করে ইরান থেকে আমদানি করা প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর। প্রতি বছর ইরান থেকে গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি ডলারের গ্যাস ও বিদ্যুৎ কেনে বাগদাদ। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান থেকে এই জ্বালানি সরবরাহ সামান্য ব্যাহত হলেই ইরাকের জাতীয় গ্রিডে হাজার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা দেয়।
মার্কিন বিধিনিষেধের কারণে ইরাক বিকল্প হিসেবে নিজস্ব গ্যাসক্ষেত্রের উন্নয়ন এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আঞ্চলিক পাওয়ার গ্রিড সংযোগের চেষ্টা করলেও রাতারাতি তা সম্ভব নয়। অন্যদিকে, কেবল ইরাকই নয়, ইরানের সবচেয়ে বড় তেল আমদানিকারক চীন, বার্ষিক বিশাল বাণিজ্যে যুক্ত থাকা তুরস্ক এবং বাণিজ্যিক হাব হিসেবে ব্যবহৃত সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপরও ট্রাম্প প্রশাসন বাণিজ্য গুটিয়ে নেওয়ার নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে।




























