
আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: ঈদুল আজহায় গরুর মাংস খাওয়ার পর অনেকেই শুনে থাকেন, সঙ্গে সঙ্গে দুধ, পায়েস, ফিরনি বা পুডিং খাওয়া নাকি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তবে এ বিষয়ে কিছু ভুল ধারণাও প্রচলিত রয়েছে।
পুষ্টিবিদদের মতে, গরুর মাংস ও দুধ দুটিই উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার। তাই একসঙ্গে বা খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে বেশি পরিমাণে খেলে কিছু মানুষের হজমে অস্বস্তি, গ্যাস, পেট ফাঁপা, বদহজম বা বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে যাদের হজমশক্তি দুর্বল, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে বা অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি।
তবে সাধারণ সুস্থ মানুষের জন্য গরুর মাংসের পর দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার খাওয়া সরাসরি বিষাক্ত বা বিপজ্জনক নয়। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী, মাংস ও দুধ একসঙ্গে খেলে আলসার, ক্যানসার বা গুরুতর রোগ হবে, এমন দাবির পক্ষে শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, সমস্যা মূলত অতিভোজন থেকে সৃষ্টি হয়। ঈদের দিনে অনেকেই অতিরিক্ত মাংস, চর্বিযুক্ত খাবার ও মিষ্টান্ন একসঙ্গে খেয়ে ফেলেন। ফলে পরিপাকতন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে এবং অস্বস্তি দেখা দেয়।
সুস্থ থাকার জন্য গরুর মাংস খাওয়ার পর পর্যাপ্ত পানি পান করা, কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করা এবং ভারী দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার আগে অন্তত ১ থেকে ২ ঘণ্টা বিরতি রাখা ভালো। পাশাপাশি সবজি, সালাদ ও ফলমূল খেলে হজম প্রক্রিয়াও স্বাভাবিক থাকে।
ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে চাইলে শুধু সুস্বাদু খাবার নয়, পরিমিত খাবার খাওয়ার অভ্যাসও জরুরি। অতিরিক্ত খাওয়া এড়িয়ে চললেই অনেক স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে দূরে থাকা সম্ভব।




























