
আওয়ার টাইমস নিউজ।
নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তার প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম পেয়েছেন ৮৮ ভোট। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এমএম নাসির উদ্দিন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন। তাদের মধ্যে তিনজন সংসদ সদস্য ভোটগ্রহণে অনুপস্থিত ছিলেন। অনুপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস, চট্টগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
ফলাফল ঘোষণার পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হলেন। তার নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশের রাষ্ট্রপতি পদে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। তবে ভোটের ব্যবধানই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে।
মির্জা ফখরুল যেখানে ২৫৫ ভোট পেয়েছেন, সেখানে তার প্রতিদ্বন্দ্বী অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। অর্থাৎ দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ১৬৭ ভোটে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর এখন সবার নজর শপথ অনুষ্ঠানের দিকে।
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, শুক্রবার ২১ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করবেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের এই ফলাফল বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন কী সমীকরণ তৈরি করবে, তা নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী হিসেবে তার বিপুল ভোটে জয় রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর মির্জা ফখরুলের সামনে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হবে। আগামীকাল বঙ্গভবনের শপথ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সেই নতুন অধ্যায়ের আনুষ্ঠানিক সূচনা হওয়ার কথা রয়েছে।




























