সর্বশেষ
তালেবান শাসনামলে ভারতে প্রথমবার আফগান দূত নিয়োগ
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ের প্রচারণায় রাজধানীতে ক্যারাভ্যান নামাচ্ছে এনসিপি
১৬ বছর পর হাতে এল ২০১০ সালের অতি দামী নোকিয়া মোবাইল ফোন
ইরান যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, তবে আলোচনার দরজা এখনও খোলা
দখলে নেই, তবে দলিল আছে: আইন অনুযায়ী কীভাবে মালিকানা ফিরিয়ে পাবেন?
গাজায় নিহতের সংখ্যা ছাড়াল ৭১ হাজার ৪০০, আহত ১ লাখ ৭১ হাজারের বেশি
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করলে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের
কোটিপতি তাহেরীর আয়ের তালিকায় রয়েছে ব্যাংক আমানতের সুদ
গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে যোগদানের প্রশ্নে সতর্ক অবস্থানে বাংলাদেশ
সব রেকর্ড ভেঙে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে পৌঁছাল সোনা
দ্যা ফিজকে বাদ দিয়ে বিশ্বকাপ দল গঠনের সুপারিশ আইসিসির, তবে কি ভারতের চাটুকারিতা করছে আইসিসি? প্রশ্ন টাইগার সমর্থকদের
নিজেকে ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করলো ট্রাম্প
ইরানকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ দেখানোর আহ্বান জানালেন জাতিসংঘ মহাসচিব
যুক্তরাষ্ট্রকে ‘নির্লজ্জ’ বলে কড়া ভাষায় নিন্দা জানাল উত্তর কোরিয়া
হাদি হত্যার বিচার দাবিতে বরিশালে ছাত্র-জনতার ‘আজাদী মার্চ’কর্মসূচি পালন

ভুল দেশে ফাঁদ পেতেছে সা/ইকো ট্রাম্প! ইসলাম ও দেশ রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ হামলা চালাবে ই/রানঃ হুসাইন ইবনে নোয়াব

Our Times News

আন্তর্জাতিক সম্পাদকীয় বিশ্লেষণঃ হুসাইন ইবনে নোয়াব।

আওয়ার টাইমস নিউজ।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আজ আর কোনো নিরপেক্ষ বৈশ্বিক শক্তি নয়; বরং এটি একটি সুস্পষ্ট স/ন্ত্রাসী আধি/পত্যবাদী রাষ্ট্র, যার কৌশল হলো-বিশ্বজুড়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা, সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে উসকে দেওয়া এবং নিজেদের ভূরাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় আন্তর্জাতিক আইনকে বারবার উপেক্ষা করা। লাতিন আমেরিকা থেকে মধ্যপ্রাচ্য-এই একই নকশা বারবার দেখা গিয়েছে।

ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপ্রধানকে আন্তর্জাতিক আইন ও রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে গ্রেপ্তার করে যুক্তরাষ্ট্র যে নজির স্থাপন করেছে, তা প্রমাণ করে ‘মানবাধিকার’ ও ‘গণতন্ত্র’ তাদের কাছে নীতির বিষয় নয়, বরং একটি রাজনৈতিক অস্ত্র।

ইরানের বর্তমান সংকটও এই বৃহত্তর কৌশলের বাইরে নয়। অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, তথ্যযুদ্ধ, অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভে বিদেশি প্রভাব-সব মিলিয়ে আয়াতুল্লাহ খামেনি নেতৃত্বাধীন রাষ্ট্রব্যবস্থাকে দুর্বল করাই যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের লক্ষ্য। কিন্তু ইরানের শাসনব্যবস্থা কোনো সাধারণ সরকার নয়; এটি আদর্শিকভাবে গড়ে ওঠা একটি রাষ্ট্র, যা আত্মসমর্পণের রাজনীতি জানে না। বিশ্বের একমাত্র শক্তিধর মুসলিম দেশ ইরান, যারা কিনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মিত্র ইজ/রাইল ভূ/খণ্ড সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে, ইরানের হামলায় টিকতে না পেরে বাধ্য হয়েই পিছু হটেছে দ’খ’লদা’র ইজ/রাইল।

আমার সুস্পষ্ট বিশ্লেষণ এবং চ্যালেঞ্জ হলো, বর্তমান দেশটিতে চলা বিক্ষোভে আয়াতুল্লাহ খামিনি প্রশাসন রক্তের শেষ বিন্দু থাকা পর্যন্ত লড়াই করবে, প্রয়োজনে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে, কারণ ইরানের সামনে বর্তমানে সরাসরি প্রতিরোধ এবং যুদ্ধে জড়িয়ে যাওয়া ছাড়া বাঁচার কোন অপশন নেই।

ইতিমধ্যেই ইরানি সরকার স্পষ্ট করে ঘোষণাও দিয়েছে, ইসলাম ও রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ও সার্বভৌমত্ব প্রশ্নে তারা কোনভাবেই আপস করবে না। বরং জীবনের শেষ বিন্দু রক্ত থাকা পর্যন্ত তারা লড়াই করবে, এবং লড়াই করার যে সক্ষমতা ইরানের আছে, তার স্পষ্ট প্রমাণ সমগ্র বিশ্ব স্পষ্টভাবে দেখতে পেয়েছে, মাত্র কিছুদিন আগেই, আমেরিকার প্রধান মিত্র দ/খ/লদার ইস/রাইলের ভূখণ্ডে ভয়াবহ নজরবিহীন হামলা চালিয়ে তাদেরকে পিছু হটতে করতে বাধ্য করেছে ভয়ডরহীন আয়াতুল্লাহ্ আল খামিনি। যা এখন পর্যন্ত বিশ্বের কোন মুসলিম দেশ করে দেখাতে পারিনি।

ইরানের বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান, মৃত্যুদণ্ডের ঘোষণা কিংবা সামরিক শক্তির ভাষ- এসব সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিতর্ক তৈরি করলেও, তেহরানের দৃষ্টিতে এগুলো রাষ্ট্র টিকিয়ে রাখার কৌশল। ইতিহাস বলে, আদর্শভিত্তিক রাষ্ট্রগুলো নৈতিক সমালোচনার চেয়ে অস্তিত্বের প্রশ্নকে বড় করে দেখে।

একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইরানের বার্তাও দ্ব্যর্থহীন—চাপ বাড়লে প্রতিরোধও বাড়বে। মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করার হুঁশিয়ারি আসলে একটি কৌশলগত সংকেত, যা জানিয়ে দেয় এই সংঘাত একতরফা থাকবে না। ইরান বিশ্বাস করে, দীর্ঘমেয়াদি লড়াইয়ে আধিপত্যবাদী শক্তিই শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক ও নৈতিক পরাজয় বরণ করে।

এই বিশ্লেষণে এটি স্পষ্ট-ইরান পিছু হটার মানসিকতায় নেই। তারা মনে করে, প্রয়োজনে সর্বোচ্চ মূল্য দিয়েও রাষ্ট্রীয় অবস্থান ধরে রাখা হবে। এই অবস্থানকে সমর্থন বা বিরোধিতা করা যাই হোক না কেন, বাস্তবতা হলো, মধ্যপ্রাচ্যে আর কোনো সংঘাত কেবল কূটনৈতিক ভাষায় সীমাবদ্ধ নেই। আজকের বিশ্বে প্রশ্ন একটাই: আধিপত্যবাদ টিকবে, নাকি প্রতিরোধ, আমার চ্যালেঞ্জ ইরান এই লড়াইয়ে আধিপত্যবাদীদের পিছু হটাতে সক্ষম হবে ইনশা-আল্লাহ্।

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সুচী
মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬
ওয়াক্তসময়
সুবহে সাদিকভোর ৫:২৩
সূর্যোদয়ভোর ৬:৪৩
যোহরদুপুর ১২:০৭
আছরবিকাল ৩:১১
মাগরিবসন্ধ্যা ৫:৩১
এশা রাত ৬:৫১

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সুচী
মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬
ওয়াক্তসময়
সুবহে সাদিকভোর ৫:২৩
সূর্যোদয়ভোর ৬:৪৩
যোহরদুপুর ১২:০৭
আছরবিকাল ৩:১১
মাগরিবসন্ধ্যা ৫:৩১
এশা রাত ৬:৫১

সর্বশেষ

© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত