
আওয়ার টাইমস নিউজ।
স্পোর্টস ডেস্ক: বাংলাদেশের ফুটবলে আশার প্রদীপ বহুবার জ্বলে উঠলেও শেষ পর্যন্ত আলোর দেখা মেলেনি বহুদিন। ২০০৩ সালে সর্বশেষ সাফ শিরোপা জয়ের পর দীর্ঘ দুই যুগের খরা কাটাতে মুখিয়ে আছে লাল-সবুজ। উত্থান-পতনের মিছিলে সেই আক্ষেপ ঘোচাতে এবার নতুন এক আশার বাণী শোনা যাচ্ছে দেশের ফুটবল পাড়ায়।
হাভিয়ের ক্যাবরেরার চার বছরের অধ্যায়ে বাংলাদেশ সাফের সেমিফাইনালে উঠলেও ট্রফি খরা কাটেনি। তবে ক্যাবরেরার বিদায়ের পর স্প্যানিশ অধ্যায়ের ইতি টেনে দায়িত্ব নেওয়া জার্মান বংশোদ্ভূত আমেরিকান কোচ থমাস ডুলির হাত ধরে শুরুতেই ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ডুলির আক্রমণাত্মক ৪-৩-৩ ছকে ইতালির মাটিতে সান মারিনোকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথম ম্যাচেই যে সাহসিকতার প্রতিদান তপু বর্মণরা দিয়েছেন, তা দলটির মানসিকতায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনে দিয়েছে।
তবে ভক্ত ও সমর্থকদের জাতীয় দল নিয়ে উন্মাদনা এখন তুঙ্গে ওঠার মূল কারণ প্রবাসী তারকাদের সংযোজন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের পরিচিত মুখ হামজা চৌধুরী ও অভিজ্ঞ শামিত সোমের পাশাপাশি ফুলহেমের উঠতি গোল মেশিন ফারহান ওয়াহিদের অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনায় লাল-সবুজের আক্রমণভাগ এখন দক্ষিণ এশিয়ার যেকোনো রক্ষণের জন্য ত্রাস হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আগামী ৪ থেকে ১৭ নভেম্বর ঢাকার মাটিতে বসতে যাচ্ছে পঞ্চদশ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। দীর্ঘ ৮ বছর পর নিজেদের চেনা আঙিনায় আয়োজিত হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে লাল-সবুজ সমর্থকদের মনে একটাই বিশ্বাস—ডুলির ক্ষুরধার কোচিং আর হামজা, শামিত ও ফারহানদের বিধ্বংসী উপস্থিতিতে এবার দক্ষিণ এশিয়ার সেরা মুকুট ছিনিয়ে নেওয়া কেবলই সময়ের অপেক্ষা। আগামী ১ আগস্ট ভুটানের থিম্পুতে ড্র অনুষ্ঠিত হওয়ার পর নির্ধারিত হবে বাংলাদেশের চূড়ান্ত মিশন, যেখানে দুই যুগ আগের সেই সোনালী স্মৃতি ফের নতুন করে লেখার অপেক্ষায় স্বপ্ন বুনছে এক কোটি ফুটবলপ্রেমী জাতি।































