
আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: আগামী ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। শিক্ষা ক্যালেন্ডার বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চলতি বছরের বাকি সময়ে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সরাসরি ক্লাস করার সুযোগ পাবে মাত্র ১১৫ দিন।
শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের মতে, এই স্বল্প সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস শেষ করা এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, মে মাসের মাঝামাঝি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ২৩০ দিনের মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি, ধর্মীয় উৎসব, বিভিন্ন সরকারি ছুটি এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক পরীক্ষার কারণে দীর্ঘ সময় পাঠদান বন্ধ থাকবে। সব হিসাব শেষে নিয়মিত শ্রেণিকক্ষ কার্যক্রমের জন্য হাতে থাকছে মাত্র ১১৫ দিন।
অভিভাবকদের অনেকে বলছেন, পরীক্ষা যদি আগের নিয়ম অনুযায়ী ফেব্রুয়ারি বা মার্চে নেওয়া হতো, তাহলে শিক্ষার্থীরা প্রস্তুতির জন্য আরও বেশি সময় পেতো। বিশেষ করে যেসব শিক্ষার্থী আগে থেকেই পড়াশোনায় পিছিয়ে আছে, তাদের জন্য এই সময় আরও কঠিন হয়ে উঠবে।
শিক্ষাবিদরা বলছেন, গত কয়েক বছর ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা, নির্বাচন, বিভিন্ন আন্দোলন এবং সময়মতো পাঠ্যবই না পাওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের শিখনে বড় ঘাটতি তৈরি হয়েছে। তার ওপর নতুন সময়সূচি শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ আরও বাড়াতে পারে।
শিক্ষা বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, সময় সংকটের কারণে অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে কোচিং ও প্রাইভেট নির্ভর হয়ে পড়বে। এতে শিক্ষাব্যবস্থায় বৈষম্য আরও বাড়তে পারে।
তবে কেউ কেউ মনে করছেন, সঠিক পরিকল্পনা ও অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করা গেলে এই সংকট কিছুটা মোকাবিলা সম্ভব। এজন্য বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত পাঠদান, পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়ক ক্লাস এবং নিয়মিত নজরদারির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তারা।



























