সর্বশেষ
ভারতে ইসলাম ও মুসলমান আক্রমণের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে: মাওলানা আরশাদ মাদানি
আমরা ভেনেজুয়েলা নই, হামলা চললে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ‘এক ফোঁটা’ তেল-গ্যাসও যাবে না: মার্কিন ইসরাইল জোটকে ইরানের হুঁশিয়ারি
গাজার বাস্তুচ্যুতদের তাঁবুতে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ১ আহত ১০
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেলেন রাশেদ খাঁন
স্পেনের বিশ্বজয়ে উল্লাসে মাতোয়ারা অ/ভিশপ্ত ইহুদীদের হামলায় পা হারানো ফি/ লিস্তিনি মা/জলুম মুসলিমরা
১৭ জেলায় ঝড়-বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত
মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার মধ্যেও বিশ্ববাজারে আরও কমেছে স্বর্ণের দাম
বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের পর স্পেনকে কৃতিত্ব দিলেন মেসি
আরেকটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানের
আজকের বিশ্বকাপানো হাই ভোল্টেজ ফাইনালে কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ ট্রফি? ই/ সরাইলপ্রেমী মেসি? নাকি ফি/ লিস্তিনপ্রেমী ইয়ামাল?
পেরুতে ৫.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত অন্তত ৫
লিও মেসি ইসরাইল-মুসলিম তারকা ইয়ামাল ফিলিস্তিন, সব ছাপিয়ে আজকের বিশ্বকাপানো ফাইনাল রূপ নিয়েছে ইসরাইল ফিলিস্তিন যু/দ্ধে
নোয়াখালীর ফেনীতে ৪০ সেকেন্ডের বিধ্বংসী টর্নেডোতে, লণ্ডভণ্ড একটি গ্রাম
এবার অমুসলিম ভূখণ্ডে মন্দিরের জমি নিলামে কিনল মুসলিমরা, মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনায় ক্ষুব্ধ হিন্দু সম্প্রদায়
লামিন ইয়ামালের ফি/ লিস্তিন সংহতিতে কাঁপছে ফুটবল বিশ্ব! মেসির ই/সরাইল প্রীতিতে ক্ষু/ ব্ধ কোটি কোটি ভক্ত, ফাইনালের আগে আ/ র্জেন্টিনা ছেড়ে স্পেনের পক্ষে মু/ সলিম বিশ্ব

মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর অসহযোগিতায় ইরান পরাজিত হলে র’ক্ত পি’পা’সু বন্ধু ই’স’রা’ইলকে নিয়ে বাংলাদেশ দ’খলে ঝাঁপিয়ে পড়বে ভারত! “হুসাইন ইবনে নোয়াবের বিশেষ প্রতিবেদন।

Our Times News

আওয়ার টাইমস নিউজ।

আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকীয়ঃ বিশ্বের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তাপের কেন্দ্রে মুসলিম বিশ্বের নির্লিপ্ততা এবং পশ্চিমা রাষ্ট্রসমূহের মিত্রবাহিনীর আগ্রাসন নিয়ে হুসাইন ইবনে নোয়াবের বিশেষ সম্পাদকীয় প্রতিবেদন।

 

“মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম দুই সামরিক পরাশক্তি দেশ ইরান ও ইসরাইলের মধ্যকার র’ক্তক্ষ’য়ী সংঘাত এতটাই ভয়াবহ রূপ নিয়েছে যে, আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকগণ চলমান এ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হিসেবে উল্লেখ করেছে।

বিশ্ব রাজনীতি এখন ভয়ংকর রহস্যজনক মোড় নিয়েছে। ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান এ যুদ্ধ এখন আর দুই রাষ্ট্রের দ্বন্দ্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বরং এটি এখন গোটা মুসলিম বিশ্বের অস্তিত্ব রক্ষার যুদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ, এই সংকটময় মুহূর্তে মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর পক্ষ থেকে আশানুরূপ কোনো সহানুভূতি বা সামরিক সহায়তা দেখা যাচ্ছে না। ইতিহাস সাক্ষী, যেখানেই মুসলিমরা বিভক্ত হয়েছে, সেখানেই তারা শত্রুর কাছে চরমভাবে লজ্জাজনকভাবে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছে।

ইরানের পতন মানেই নতুন মুসলিম রাষ্ট্রে দ’খ’ল’দার হা/য়/না ই’সরা’ইলের আগ্রাসন!

যদি এ মুহূর্তে মুসলিম রাষ্ট্রগুলো ইরানের পাশে না দাঁড়ায়, আর ইরান এই যুদ্ধে পরাজিত হয়, তখন অবশ্যই ইসরায়েলের মুসলিম রাষ্ট্র ধ্বংসের পথ আরও সুগম হয়ে যাবে, এবং তারা নতুন মুসলিম রাষ্ট্রে আগ্রাসনের ঝাঁপিয়ে পড়বে। ফিলিস্তিনকে ধ্বংসের পর তারা যেভাবে লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেনকে টার্গেট করেছে, তার ধারাবাহিকতায় একসময় দক্ষিণ এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোও তাদের রাডারে আসবে। আর এই পরিকল্পনায় ইসরায়েলের পাশে যে দেশটি শতভাগ নিশ্চিতভাবে থাকবে, সে দেশটি হলো উগ্র হি’ন্দু’ত্ব’বাদের দেশ ভারত, যারা কথায় কথায় বাংলাদেশকে নিজেদের পূর্বপুরুষের ভূমি হিসেবে দাবি করে।

ভারত-ইসরায়েল জোটের অজানা লক্ষ্য: বাংলাদেশ

ভারত ও ইসরায়েলের কৌশলগত সম্পর্ক এখন বহু পুরোনো। সামরিক চুক্তি, গোয়েন্দা সহযোগিতা, এবং আকাশ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, সবকিছুতেই তারা একে অপরের ঘনিষ্ঠ মিত্র। ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো দীর্ঘদিন ধরে একটি দাবিকে মনেপ্রাণে লালন করে আসছে, যে “বাংলাদেশ তাদের পূর্বপুরুষদের ভূমি।” উগ্র হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির র’ক্ত’পি’পাসু নেতারা এরইমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে, বাংলাদেশ নাকি অখণ্ড ভারতের একটি অংশ ছিল, এবং ভবিষ্যতে সেই অংশ তারা ফিরিয়ে আনার ঘোষণাও দিয়ে রেখেছে।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি ভারতকে সুযোগ করে দিচ্ছে। যখন বিশ্বমিডিয়া ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে ব্যস্ত থাকবে, তখন ভারত ইসরায়েলের সামরিক প্রযুক্তির সহায়তায় বাংলাদেশের পূর্ব সীমান্তে সামরিক চক্রান্ত বাস্তবায়নে নেমে পড়তে পারে।

মুসলিম উম্মাহর নীরবতা: আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত!

ইতিহাস বলে, মুসলিম উম্মাহ যখন বিভক্ত থাকে, তখন তাদের পতন অবশ্যম্ভাবী হয়। আজ যদি আমরা ইরানকে শুধু শিয়া রাষ্ট্র মনে করে দূরে ঠেলে দিই, কাল সেই আগুন আমাদের ঘরেও আসবে। পাকিস্তান, তুরস্ক, সৌদি আরব, যারা মুসলিম নেতৃত্ব দাবি করে, তারা যদি আজ কূটনৈতিক এবং সামরিকভাবে ইরানের পাশে না দাঁড়ায়, তাহলে আগামীর ই’সরাইলি বাহিনীর নৃ’শং’স আগ্রাসনের নিশানা হতে পারে তারাও, এমনকি বাংলাদেশও।
কারণ বাংলাদেশ একটি কৌশলগত ভূখণ্ড। চীন ও ভারত উভয়ের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু যদি মুসলিম বিশ্বের ঐক্য না থাকে, তাহলে ভারত-ইসরায়েল জোট খুব সহজেই এ অঞ্চলে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারে। তখন আর প্রতিরোধের সুযোগ থাকবে না।

আমার দৃঢ় বিশ্বাস এবং বিশ্লেষণ অনুযায়ী বলছি, যদি মুসলিম রাষ্ট্রগুলো বিশেষ করে পাকিস্তান, তুরস্ক, কাতার, বাংলাদেশ, সৌদি আরব, আজারবাইজান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, এই দেশগুলো ইরানকে যথাসময়ে সমর্থন ও সহযোগিতা না করে, তাহলে ইরান একা হয়ে যাবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ সহযোগিতায় ইসরাইলের হাতে ইরান ধ্বংস হতে বাধ্য।

আর যদি মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর অসহযোগিতায় শেষ পর্যন্ত দখলদার ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইরান পরাজয় বরণ করে, তাহলে ইসরাইল এবং তার প্রধান সহযোগী ভারত একযোগে মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর উপর হিং’স্র হা/য়/নার মত ঝাঁপিয়ে পড়বে।

একটা বিষয় এখন সকলের কাছে স্পষ্ট যে, তৃতীয় বিশ্ব’যুদ্ধটি হবে মূলত ধর্মযুদ্ধ! এজন্যে বাংলাদেশ পাকিস্তান ইরান’সহ মুসলিম দেশ গুলোকে অবশ্যই অবশ্যই চীন রাশিয়া’সহ অন্যান্য বিধর্মী রাষ্ট্রগুলোকে বন্ধু দেশ মনে করা থেকে সম্পূর্ণভাবে বেরিয়ে আসতে হবে, এই কথা বিশ্বাস করা থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে যে, ইসরাইল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে মুসলিম দেশগুলো যুদ্ধে জড়ালে, চীন-রাশিয়া মুসলিম দেশগুলোর সমর্থনে সহযোগিতা করবে, এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ধোঁকা।

মুসলিম বিশ্বকে মনে রাখতে হবে, অমুসলিম দেশগুলো কখনোই মুসলিমদের বন্ধু হতে পারে না। এটি কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, বরং আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন:

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الْيَهُودَ وَالنَّصَارَىٰ أَوْلِيَاءَ ۘ
°بَعْضُهُمْ أَوْلِيَاءُ بَعْضٍ

“হে মুমিনগণ! তোমরা ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু।” (সূরা আল-মায়িদা, আয়াত ৫১)

এই আয়াতের আলোকে মুসলিমদের উচিত একে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া এবং ঐক্যবদ্ধভাবে ইসলামের শত্রুদের মোকাবেলা করা। আজ বাংলাদেশ ও পাকিস্তান যদি রাশিয়া বা চীনের ভরসায় বসে থাকে, তাহলে সেটা হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভুল। কারণ, এই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কেবল একটি রাজনৈতিক সংঘর্ষ নয়, বরং এটি একটি ধর্মীয় যুদ্ধ, একপাশে থাকবে মুসলিম উম্মাহ, অন্যদিকে থাকবে সকল কুফরি শক্তি: ইহুদি, হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধরা একত্রিত হয়ে বিশ্ব মুসলিমদের হ*ত্যায় মেতে উঠবে।

বিশ্বব্যাপী যুদ্ধবিগ্রহের দামামার এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের করণীয় ও জরুরি আবশ্যকীয় প্রস্তুতি সমূহ উল্লেখ করা হলো।

১) কুরআন-সুন্নাহর আলোকে নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করা।

২) অমুসলিম রাষ্ট্রগুলোর মিথ্যা প্রতিশ্রুতির ফাঁদে না পড়ে সামরিকভাবে আত্মনির্ভরশীল হওয়া।

২) দ্রুততার সঙ্গে মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে কৌশলগত ঐক্য গঠন করা।

বিশেষভাবে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আমার আহ্বান থাকবে, সাধারণ যুবকদের সরকারি খরচে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ যেকোনো মুহূর্তে উগ্র হি’ন্দু’ত্ব’বাদী দেশ ভারত, তাদের প্রধান মিত্র দেশ, রক্ত পি’পা’সু অ*ভি*শ*প্ত হিং’স্র হা/য়/না ই’স’রাইলের বিশেষ সহযোগিতায় বাংলাদেশ দখলে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে।

আমাদের মনে রাখতে হবে, ভারত বহুদিন ধরেই বাংলাদেশকে নিজের ‘পূর্বপুরুষের জমি’ বলে দাবি করে আসছে। এই হুমকি কল্পনাও নয়, বরং বাস্তবতা।

অমুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পূর্ব প্রস্তুতির বিষয় পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন,

وَأَعِدُّوا لَهُم مَّا اسْتَطَعْتُم مِّن قُوَّةٍ وَمِن رِّبَاطِ الْخَيْلِ تُرْهِبُونَ بِهِ عَدُوَّ اللَّهِ وَعَدُوَّكُمْ

“আর তোমরা প্রস্তুত করো তাদের বিরুদ্ধে যতটুকু সম্ভব শক্তি ও যুদ্ধের জন্য সজ্জিত ঘোড়া, যার দ্বারা আল্লাহর ও তোমাদের শত্রুদের ভীত করতে পারো।” (সূরা আনফাল, আয়াত ৬০)

এই আয়াতের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে যায়, আত্মরক্ষা এবং প্রস্তুতি ইসলামের একটি ফরজ নির্দেশ। অতএব, মুসলিম উম্মাহর কাছে আমার বিনীত আহ্বান, একতা, ঈমান ও কুরআনের উপর নির্ভর করে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার প্রস্তুতি নিন।

লেখক: হুসাইন আল আজাদ ইবনে নোয়াব আলী।
বিশিষ্ট ইসলামিক কলামিস্ট ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক:
আওয়ার টাইমস নিউজ ডটকম

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সুচী
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
ওয়াক্তসময়
সুবহে সাদিকভোর ৩:৫৮
সূর্যোদয়ভোর ৫:২৩
যোহরদুপুর ১২:০৫
আছরবিকাল ৩:২৬
মাগরিবসন্ধ্যা ৬:৪৬
এশা রাত ৮:১১

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সুচী
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
ওয়াক্তসময়
সুবহে সাদিকভোর ৩:৫৮
সূর্যোদয়ভোর ৫:২৩
যোহরদুপুর ১২:০৫
আছরবিকাল ৩:২৬
মাগরিবসন্ধ্যা ৬:৪৬
এশা রাত ৮:১১

সর্বশেষ

© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত