
আওয়ার টাইমস।
স্পোর্টস ডেস্ক: ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে মিশর। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ইরানের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেই শেষ ৩২-এর টিকিট নিশ্চিত করে আফ্রিকার দলটি। অন্যদিকে, ভিএআরের সিদ্ধান্তে শেষ মুহূর্তে স্বপ্নভঙ্গ হওয়ায় হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে ইরানকে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মিশর। মাত্র পঞ্চম মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। মোহাম্মদ সালাহর বাঁ পায়ের শট ইরানের গোলরক্ষক ঠেকালেও ফিরতি বলে সুযোগ নেন সাবের। তার শট ডিফেন্ডারদের ভিড় পেরিয়ে জালে জড়িয়ে গেলে লিড পায় মিশর। এটি বিশ্বকাপে মিশরের ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুততম গোল হিসেবে রেকর্ডে জায়গা করে নেয়।
গোল হজমের পর দ্রুত ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে ইরান। কিছুক্ষণ পরই পেনাল্টির সুযোগ পায় তারা। বক্সের ভেতরে মেহদি তারেমিকে ফাউল করলে স্পট কিকের নির্দেশ দেন রেফারি। তবে তারেমির নেওয়া শট অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন মিশরের গোলরক্ষক মোহাম্মদ এল-শেনাউই। গুরুত্বপূর্ণ সেই সেভে এগিয়ে থাকে মিশর।
তবে বেশিক্ষণ পিছিয়ে থাকেনি ইরান। ১৫তম মিনিটে এজাতোলাহির শট প্রথমে গোলরক্ষক ঠেকালেও ফিরতি বলে রামিন রেজাইয়ান কঠিন কোণ থেকে বল জালে পাঠিয়ে ম্যাচে সমতা ফেরান। বিশ্বকাপে এটি ছিল ইরানের অন্যতম দ্রুততম গোল।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে দুই দলই। একাধিক সুযোগ তৈরি হলেও গোলের দেখা মিলছিল না। শেষ দিকে ফ্রি-কিক থেকে সৃষ্ট সুযোগে খালিলজাদে বল জালে পাঠিয়ে ইরানকে এগিয়ে দিয়েছেন বলে মনে হচ্ছিল। কিন্তু ভিডিও সহকারী রেফারি (ভিএআর) পর্যালোচনায় দেখা যায়, গোলের আগে তিনি অফসাইড অবস্থানে ছিলেন। ফলে গোল বাতিল করে দেন রেফারি।
গোল বাতিল হওয়ার পর ইরানের খেলোয়াড়দের হতাশা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জয়ের জন্য চেষ্টা চালালেও আর গোল করতে পারেনি তারা। নির্ধারিত সময় শেষে ১-১ গোলে ড্র হয় ম্যাচটি।
এই ড্রয়ের ফলে তিন ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করে মিশর। অন্যদিকে, তিন ম্যাচেই ড্র করে মাত্র ৩ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করে ইরান। ভিএআরের সিদ্ধান্ত তাদের ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন ভেঙে দেয়।




























